1. admin@khoj24bd.com : admin :
  2. genuinebd.71@gmail.com : admin admin : admin admin
  3. tishibly@gmail.com : gungun gungun : gungun gungun
  4. somankhan92@gmail.com : golam mohiuddin : golam mohiuddin
  5. sakilsangdik@gmail.com : Sakil Faruki : Sakil Faruki
অপহৃত শিশুর লাশ উদ্ধার, মুক্তিপণ নেওয়ার সূত্র ধরে খুনি গ্রেফতার - www.khojbd24.com
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

অপহৃত শিশুর লাশ উদ্ধার, মুক্তিপণ নেওয়ার সূত্র ধরে খুনি গ্রেফতার

  • Update Time : সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৪৩ Time View

কেরানীগঞ্জে অপহৃত শিশু তাওহীদ হোসেনের (১০) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার ভোরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। গ্রেফতার হওয়ার পর খুনি মকবুলের দেখানো মতে লাশ উদ্ধার করা হয়।

রোববার রাজধানীর শ্যামপুর পোস্তগোলার একটি আবাসিক হোটেল থেকে অপহরণকারী মকবুলকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১০।

তাওহীদ আব্দুল্লাহপুর রসুলপুর মাদরাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। শনিবার রাতে মাদ্রাসা থেকে বাসায় ফেরার পথে সে নিখোঁজ হয়।

অপহরণ ও হত্যার পরপরই মকবুল মুক্তিপণ হিসেবে তাওহীদের পরিবারের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা আদায় করে। টাকা নেওয়ার সূত্র ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়ে।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মকবুল পেশায় রাজমিস্ত্রি। ভিকটিমের পরিবার ও গ্রেফতারকৃত মকবুল একই এলাকায় বসবাস করত। কিছুদিন পূর্বে মকবুল ভিকটিমের বাসায় রাজমিস্ত্রির কাজ করেছে বলে জানায়। প্রতিবেশী এবং বাসায় রাজমিস্ত্রির কাজ করার সুবাদে ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে তার পরিচিতি ছিল।

শিশু তাওহীদের বাবা একজন প্রবাসী। তাওহীদ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকার একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত। সকালে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বাসা হতে বের হতো এবং বাসায় ফিরতে প্রায়ই সন্ধ্যা হয়ে যেত। মকবুলের ধারণা ছিল, ভিকটিমের বাবা প্রবাসী তাই ভিকটিমকে অপহরণ করলে মোটা অংকের মুক্তিপণ আদায় করা যাবে। অল্পসময়ে অধিক অর্থ লাভের আশায় প্রায় ৬ মাস যাবত ভিকটিমকে অপহরণের পরিকল্পনা করে আসছিল।

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে তাওহীদের বাড়ির পাশে মকবুল ওতপেতে মাদ্রাসা থেকে তাওহীদের ফেরার অপেক্ষা করতে থাকে। রাত পৌনে ৯টার দিকে মাদ্রাসা থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র তাওহীদের মুখ চেপে ধরে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তার হাত, পা ও মুখ বেঁধে রাখে মকবুল। এর আগে মকবুল পূর্বে ক্রয়কৃত তার একটি মোবাইল কৌশলে ভিকটিমের বাসায় রেখে আসে।

মকবুল ভিকটিমের বাসায় রেখে আসা মোবাইল ফোনে কল দিয়ে অপহরণের বিষয়টি জানায় এবং ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ সময় মুক্তিপণের টাকা না দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিলে ভিকটিমকে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়। এর মধ্যে ভিকটিমের মুখের বাঁধন খুলে গেলে ভিকটিম ডাক-চিৎকার করতে থাকে।

এতে মকবুল ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিম তাওহীদের মুখ ও গলায় মাফলার পেঁচিয়ে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর লাশ গুম করতে পাশের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়। পরদিন ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে মকবুল ৩ লাখ টাকা নিয়ে ভিকটিমের মামাকে প্রথমে আব্দুল্লাহপুর বাজারে, সেখান থেকে রাজেন্দ্রপুর, তারপর রসুলপুর আসতে বলে -এভাবে ভিকটিমের মামাকে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাতে থাকে।

শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভিকটিমের মামা মকবুলের কথামতো দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরে ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ের ফুটওভার ব্রিজের উপরে ৪নং পিলারের গোড়ায় ৩ লাখ টাকা রেখে আসে। পরবর্তীতে মকবুল মুক্তিপণের টাকা নিয়ে পোস্তগোলা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান করে। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। উদ্ধার করা হয় মুক্তিপণ বাবদ নেওয়া ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

নিহতের মা তাসলিমা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে হত্যার পরও ৩ লাখ টাকা নিছে। লাগলে আরও টাকা দিতাম। তারপরও যদি আমার ছেলেটাকে ফিরিয়ে দিত। আমি এই খুনির ফাঁসি চাই

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 www.khoj24bd.com bangla News web portal.
Theme Customized By BreakingNews