লুৎফুর রহমান রাকিব কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:কুমিল্লা জেলা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশনের স্বাবলম্বী প্রজেক্টের মাধ্যমে চৌদ্দগ্রামের বাতিসা ইউনিয়নের পূর্ব আটগ্রামের অসহায় প্রতিবন্ধী মোঃ আরিফের হাতে বাছুরসহ একটি গাভী হস্তান্তর করা হয়। ইতোপূর্বে অসহায় প্রতিবন্ধী মোঃ আরিফকে মেট্রেস ও দেয়া হয়।আরিফ দীর্ঘ ৭ বছর ধরে বিছানায় শোয়া।নিজে চলাচল করতে পারেন না।তার ৬৫ বছরের বৃদ্ধ মা এবং সত্তরের উর্ধ্বে বাবা তাকে লালন-পালন করে থাকেন।তারাও বয়সের ভাড়ে অনেকটা নুঁয়ে পড়েছে।পরিবারের আয়ের উৎস বললে কিছুই নেই।
মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে বিবেচনা করে,পুঙ্খানুপুঙ্খ খোঁজ খবর নিয়ে, সবার মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে অসহায় প্রতিবন্ধী আরিফকে সামাজিক প্রতিনিধি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান, বাতিসা ইউপি চেয়ারম্যান জিএম জাহিদ হোসেন টিপু, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগি অধ্যাপক কাজী শেখ ফরিদ। স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবসায়ী মোঃ মোশারফ হোসেনের,স্বপ্নপূরণ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও ইভেন্ট সমন্বয়ক মনিরুল ইসলাম খোকন, পাঁচরা জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি নুর মোহাম্মদ সুমন, স্বপ্নপূরণ ফাউন্ডেশনের পরিচালক মনোয়ার হোসেন মুন্না, ডাঃ ইউসুফ হোসাইন সুমন, মোঃ ইয়াছিন, বেলাল হোসেন শাকিল, এনায়েত উল্লাহ মাসুম, সাব্বির আহম্মেদ, জসিম উদ্দিন হাসান ও আলাউদ্দিন আলো, অসহায় প্রতিবন্ধী আরিফের বাবা আবদুল জলিলসহ পরিবারের সদস্য ও গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিতে গাভী হস্তান্তর করা হয়।যেহেতু ঘরে আয়ে উৎস নেই সেহেতু দুগ্ধজাত করে কিছুটা হলেও যেন চলতে পারে সে দিকে বিবেচনায় স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশন এই উদ্দ্যেগ নেন।
বাছুর সহ গাভী হস্তান্তর করতে গিয়ে অনুষ্ঠানে অসহায় প্রতিবন্ধী মো.আরিফের বর্তমান অবস্থা দেখে অশ্রু সিক্ত হয়ে পড়েন চৌদ্দগ্রামের পৌরসভা মেয়র মো. মিজানুর রহমান,বাতিসা ইউপি চেয়ারম্যান জিএম জাহিদ হোসেন টিপু ও অনুষ্ঠানের অনান্য অতিথিবৃন্দ।
ঐ সময় মেয়র মহোদয় তৎক্ষণাৎ আরিফকে ৫ হাজার টাকা চিকিৎসার জন্য অনুদান দেন।এবং ভবিষতে আরিফের চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।এছাড়াও বাতিসা ইউপি চেয়ারম্যান ও আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।
ঐ সময় আরিফের ছোট্ট শিশুকে পড়াশোনা করার জন্য যাবতীয় খচর বহনে স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশন আশ্বাস দেন।
এতো কিছুর পরও চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কিংবা ছোট্ট শিশু এবং বৃদ্ধ বাবা মাকে নিয়ে বেঁচে থাকা প্রতিবন্ধী আরিফের এখন দীর্ঘ দুশ্চিন্তা এবং দীর্ঘশ্বাস। তাই আরিফের আকুতি যতদিন আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখেন সমাজে বিত্তবানরা যেন তাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।