নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী বছরের প্রথম দিকেই দেশে চালু হবে প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মতই গ্রাহক ঘরে বসেই ডিজিটাল ব্যাংকের সেবা নিতে পারবেন। লেনদেনের পরিমাণে বাধ্যবাধকতা থাকবে না। তবে এলসি খোলাসহ বড় অংকের ঋণ নেয়ার সুবিধা থাকবে না ডিজিটাল ব্যাংকে।
মোবাইল ব্যাংকিং দেশে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। গামের্ন্টস কর্মীদের বেতন দেয়া, রেমিট্যান্স দেশে আনা, সরকারি প্রণোদনা ও বৃত্তির টাকা পাওয়াসহ অনেক সেবাই মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাচ্ছে গ্রাহকরা। গত এক বছরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক বেড়েছে প্রায় তিন কোটি। চলতি বছরের আগস্ট মাস পর্যন্তমোট মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট সংখ্যা ২১ কোটি ২৪ লাখ ২০ হাজার ৪৭৬টি।
২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে নগদ, বিকাশ, রকেট, মাই ক্যাশ, শিওর ক্যাশসহ ১৩টি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান এমএফএস সেবা দিচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দুটি প্রতিষ্ঠান নগদ ও কড়িকে ডিজিটাল ব্যাংক চালুর অনুমোদন দিয়েছে।
আগামী বছরে প্রথম প্রান্তিকে দেশে প্রথম শুরু হবে ডিজিটাল ব্যাংক। কি কি সেবা থাকছে এই ব্যাংকে, তা তুলে ধরেন অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র।
ডিজিটাল ব্যাংক সেবা দিতে প্রথমে সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। মুনাফার আগে গ্রাহককে সহজে সেবা দেয়াই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।
তবে ঢালাওভাবে ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন না দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে পরামর্শ দেন তারা।