আসছে জাতীয় বাজেটে দেশের পুঁজিবাজার নিয়ে কি প্রস্তাবনা থাকবে তা বিপুল আগ্রহ আছে নিয়ে বিনিয়োগকারীদের। কারণ দেশের পুঁজিবাজার এখন ধুঁকছে। লোকসানে বহু বিনিয়োগকারী। এ অবস্থায় বাজেটে তাদের উপর নতুন করে করের বোঝা চাপানো হতে পারে বলে শংকিত তারা।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পুঁজিবাজারকে সচল করতে নতুন বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এজন্য সুনির্দিষ্ট দিক নিদের্শনা আসছে বাজেটে রাখার পরামর্শ দেন তারা।
আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে দেশের পুঁজিবাজার দরপতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই পুঁজি হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। লেনদেন কমে তিনশো কোটি টাকার ঘরে নেমে এসেছে। পুঁজিবাজারকে স্বাভাবিক ধারায় ফেরাতে আসছে বাজেটে বিশেষ নীতি সহায়তা থাকবে বলে প্রত্যাশা বিনিয়োগকারীদের।
পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আসছে বাজেটে বিনিয়োগকারীদের ওপর নতুন করে করের বোঝা না চাপানোর দাবি জানিয়েছেন ডিএসইর চেয়ারম্যান হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু ।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি করপোরেট করে ছাড় ডায়। এই ছাড়ের বর্তমান হারে সাড়ে ৭ শতাংশ থেকে বাড়ানো হলে আরও প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে বলে জানান ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সাইফুল ইসলাম।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি কাজী খলিকুজ্জমান আহমদ বলেন, পুঁজিবাজারকে স্ভাবিক করতে আসছে বাজেটে উদ্যোগ থাকতে হবে। সেগুলো যাতে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হয় তারও তদারকি দরকার।
তাদের মতে, পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করতে বাজেটে কৌশলী উদ্যোগ না নিলে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।