
গোলাম মোর্শেদ : সরকার বিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি ও জামায়াতের দূরত্ব কমছে। নির্বাচন প্রতিহতে একহয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নে দুই দলের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হচ্ছে। এই তৎপরতাকে আন্দোলনের জন্য ইতিবাচক বলছেন বিএনপি’র অনেক কেন্দ্রীয় নেতা। তবে অস্বস্তি রয়েছে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা বাম ঘরানার দল ও জোটে। জামায়াতের সঙ্গে এক প্ল্যাটফর্মে আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।
এক দফার আন্দোলনে গত দেড় মাসে ১১ দফায় অবরোধ আর তিন দফায় হরতাল করেও সরকারের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি বিএনপি। উল্টো তাদের হিসেবে ২৮শে অক্টোবর ঢাকার মহাসমাবেশের পর থেকে এ পর্যন্ত ৫৯২ মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছে দলের প্রায় ২১ হাজার নেতাকর্মী। তাই নির্বাচনের আগে আন্দোলন জোরদার করতে নতুন কৌশল নিচ্ছে বিএনপি।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতের শক্তিকে কাজে লাগাতে এক প্ল্যাটফর্ম থেকে আন্দোলন করতে দুই দলের শীর্ষ পর্যায়ে চলছে আলোচনা। বিষয়টি নিয়ে এখনও খোলাসা না করলেও একে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন বিএনপি’র অনেক কেন্দ্রীয় নেতা।
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ডান-বাম মিলে ৩৬টিরও বেশি রাজনৈতিক দল নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনে আছে বিএনপি। জামায়াতকে সাথে নিয়ে আন্দোলনের বিষয়ে এরআগেই আপত্তি জানিয়েছিল অনেক দল। তাই বিএনপি’র এই উদ্যোগে সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন বাম দলগুলোর নেতারা।
একই ছাতার তলে নাকি যুগপৎ আন্দোলন- কি হবে জামায়াতকে নিয়ে বিএনপির কৌশল? তা শিগগিরই জানা যাবে বলে জানান দলটির নীতিনির্ধারকরা। ১৮ই ডিসেম্বর থেকে আন্দোলনের নতুন ধাপ ধুরু হবে বলেও জানান তারা।
Leave a Reply