বেনাপোল সংবাদদাতা : গত ২২ জানুয়ারি যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা সীমান্তে বিএসএফ গুলিতে নিহত বিজিবি সদস্য রইশুদ্দীনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। যশোরের শার্শা উপজেলার শিকারপুর এবং ভারতের গাঙ্গুলিয়া সীমান্তে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)'র কাছে ঘটনার দুইদিন পর যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্ত দিয়ে বিজিবি সদস্যের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। যশোর ৪৯-বিজিবির কমান্ডিং অফিসার (সিও) লে. কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল ও সহকারি পরিচালক মাসুদ রানা মরদেহ গ্রহণ করেন।
পরে ময়না তদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ময়না তদন্তের শেষে মরদেহ নেয়া হবে যশোর বিজিবি ব্যাটালিয়নে। এরপরই গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে রইশুদ্দীনের মরদেহ। রইশুদ্দীন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের শ্যামপুর সাহাপাড়া গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে।
বিজিবি জানায়, যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা সীমান্তে গত সোমবার (২২ শে জানুয়ারি) ভোরে চোরাকারবারিরা ভারত থেকে চোরাই পথে গরু আনছিল। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সদস্যরা চোরকারবারিদের ধাওয়া দিলে তারা ভারত সীমান্তে ঢুকে পড়ে। এ সময় বিজিবি সদস্য রইশুদ্দীন ঘনকুয়াশার কারনে দলবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রথমে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায় তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের বনগাঁ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পরে বিজিবি-বিএসএফের কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করা হলে বিএসএফের তরফ থেকে জানানো হয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।
যশোর ৪৯-ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার (সিও) লে. কর্ণেল আহমেদ হাসান জামিল জানান, এ ব্যাপারে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানোর পাশাপাশি কূটনৈতিক ভাবে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।