1. admin@khoj24bd.com : admin :
  2. genuinebd.71@gmail.com : admin admin : admin admin
  3. tishibly@gmail.com : gungun gungun : gungun gungun
  4. somankhan92@gmail.com : golam mohiuddin : golam mohiuddin
  5. sakilsangdik@gmail.com : Sakil Faruki : Sakil Faruki
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: ডিআইজি রুহুল আমিন শিপারের আবেগঘন স্ট্যাটাস - www.khojbd24.com
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: ডিআইজি রুহুল আমিন শিপারের আবেগঘন স্ট্যাটাস

  • Update Time : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪
  • ৪৬ Time View

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত যে ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি নাসিরুল ইসলাম নাসিরের মেয়ে লামিসা ইসলাম একজন। ২০১৮ সালে স্ত্রীকে হারিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। স্ত্রীর মৃত্যুর পর দুই সন্তানকে নিয়ে ছিল তার জগত। এবার দুই মেয়ের মধ্যে বড় মেয়েকেও হারালেন তিনি।

লামিসা ইসলাম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২২তম ব্যাচের মেকানিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। লামিসাকে হারিয়ে বাবা পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং-১) নাসিরুল ইসলাম হয়ে পড়েছেন বাকরুদ্ধ। তার সহকর্মীরাও শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছেন।

লামিসার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি রুহুল আমিন শিপার।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডিআইজি রুহুল আমিন শিপার লিখেছেন, ‘প্রায় ছয় বছর আগের কথা। নাসির পাথরের মতো মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে বিএসএমএমইউ (পিজি) হাসপাতালের ডি ব্লকের সামনে। সেখানে একটি ফ্রিজার ভ্যানে তার স্ত্রীর মরদেহ রাখা। নাসিরের জিম্মায় ছোট্ট দুইটি মেয়েকে রেখে ভাবি একা চলে গেলেন।’

ডিআইজি লেখেন, কয়েক বছর আগের কথা। তখন বেনজির আহমেদ স্যার র‌্যাবের মহাপরিচালক। পুলিশ সদরদপ্তরে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নাসিরের একটা প্রেজেন্টেশন দেখে প্রকাশ্যে বলে ফেললেন, ‘ইউ আর সো ইন্টেলিজেন্ট। কিন্তু আমি তোমাকে চিনি না কেন?’ এরপর বেনজির স্যার আইজিপি হয়ে পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া সংস্কারে হাত দিলেন। এআইজি রিক্রুটমেন্ট হিসেবে মেধাবী নাসির একটি অসাধারণ নিয়োগ কাঠামো তৈরি করে দিলেন। যেখানে চাইলেও দুর্নীতি কিংবা পক্ষপাতিত্ব করা প্রায় অসম্ভব। বর্তমানে সেই কাঠামোতেই নিয়োগ চলছে।

রুহুল আমিন শিপার লেখেন, দুই মেয়ে নিয়ে নাসিরের একার সংসার। একদিন শুধু বলেছিলাম, ‘আর বিয়েশাদি করলে না?’ একটু হেসে মাথা নেড়ে ও বলল, ‘না, স্যার।’ ওর মেয়েরা খুবই মেধাবী। বড় মেয়ে সম্ভবত ভিকারুননিসা নূন স্কুলে ফার্স্ট গার্ল ছিল। কলেজ শেষ করে সে বুয়েটে ভর্তি হয়েছিল। নাসিরের জীবনে ছয় বছর আগের সেই রাত আবার ফিরে এলো। গতরাতে আগুন লাগার সময় বেইলি রোডের সেই রেস্তোরাঁয় ওর বুয়েট পড়ুয়া মেয়েটা ছিল। সে আর ফেরেনি, চলে গেছে জীবনের ওপারে। বছর ছয়েক আগে বউ মরে যাওয়ার রাতে নাসিরের সেই চেহারার কথা স্পষ্ট মনে আছে আমার। এবার অবশ্য ওর সঙ্গে দেখা হয়নি। মেয়ের মরদেহ নিয়ে ফরিদপুরের পথে আছে সে।

ডিআইজি তার স্ট্যাটাসে আরও লিখেছেন, ওকে (নাসির) ফোন দিতে মন চাইছে না। তাই হোয়াটসঅ্যাপে শুধু এই মেসেজটা দিয়েছি, ‘নাসির, আমার অন্তরটা ছিঁড়ে যাচ্ছে। বাসায় বসে এখন কাঁদছি। এক জীবনে আর কত কষ্ট বাকি তোমার?’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 www.khoj24bd.com bangla News web portal.
Theme Customized By BreakingNews