নিজস্ব প্রতিবেদক: ৭ই জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকাতে জানুয়ারির এক তারিখ থেকে সারাদেশে ‘গণকারফিউ’ কর্মসূচি দেয়ার পরিকল্পনা করছে বিএনপি জোট। এই কর্মসূচি দিয়ে তারা দাবি আদায়ে মরিয়া। অহসযোগ আন্দোলনের পাশাপাশি সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তোলার কৌশলও চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির নীতি নির্ধারক নেতারা।
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের লক্ষ্যে গত দেড় বছর বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে সরব বিএনপি। তবে সহিংসতার তকমা এড়াতে এবার আন্দোলনকে শান্তিপূর্ন রাখতে কৌশলী ভূমিকায় দলটির হাইকমান্ড। টানা হরতাল-অবরোধের সাথেই ভোট বর্জনসহ পাঁচ দফা তুলে ধরে অসহযোগের ডাকও দিয়েছে দলটি। ডান, বাম, ইসলামপন্থিসহ নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত ৬৩টি দল ভোট বর্জন করায় বিএনপিসহ যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলো তাদের কর্মসূচিকে সফল মনে করছে। এখন ভোটের আগে শেষ পর্যায়ের আন্দোলন কৌশল চূড়ান্ত হচ্ছে বলে জানান, বিএনপি চেয়ারপাার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ।
বিএনপিসহ যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোর নেতা বিএনপি চেয়ারপাার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কর্মসূচিতে নতুন ধারণা যোগ করতে চান তারা। ভোটের আগের কদিন জনসাধারণকে বাসা থেকে বের না হওয়া, ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহন বন্ধ এবং সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধের আহ্বান সম্বলিত গণকারফিউ ঘোষণার কথা ভাবছে নেতারা।
বিএনপি’র সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবার ধর্মভিত্তিক দল জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও হেফাজত ইসলামের মনস্তাত্বিক দুরত্ব অনেকটাই কমেছে। সামনের দিনগুলোতে তাদেরও পাশে পাবে বলে আশা বিএনপি নেতাদের।