1. admin@khoj24bd.com : admin :
  2. genuinebd.71@gmail.com : admin admin : admin admin
  3. tishibly@gmail.com : gungun gungun : gungun gungun
  4. somankhan92@gmail.com : golam mohiuddin : golam mohiuddin
  5. sakilsangdik@gmail.com : Sakil Faruki : Sakil Faruki
ভোলা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ॥ যোগদান করেই চলে যান চিকিৎসক - www.khojbd24.com
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন

ভোলা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ॥ যোগদান করেই চলে যান চিকিৎসক

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ৭৯ Time View

সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ চিকিৎসক সংকটে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে এসে রোগীরা কাংখিত সেবা পাচ্ছেন না। এখানে চিকিৎসকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এতে দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে অনেক রোগী বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে ছুটছেন। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোলা বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ এলাকা, এখানে ডাক্তাররা থাকতে চান না। কেউ কেউ যোগদান করেই আবার চলে যান। চলমান সংকট দূর করতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে প্রতিদিন বহির্বিভাগে পাঁচ শতাধিক ও আন্তঃবিভাগে চার শতাধিক রোগী চিকিৎসা নেন। বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসা দিতে ৬১ জন চিকিৎসকের বিপরীতে কর্মরত মাত্র ২৫ জন। একজন সহকারী পরিচালক, ছয়জন সিনিয়র কনসালট্যান্ট, ৯জন জুনিয়র কনসালট্যান্ট, অ্যানেসথেটিস্ট চারজন, রেডিওলজিস্ট একজন, ৯জন সহকারী রেজিস্ট্রার, দু’জন মেডিকেল অফিসারসহ ৩৬ চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে। নিউরোলজি ও কার্ডিওলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে চিকিৎসক নেই। ২১ জন সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণির ২৯টি, তৃতীয় শ্রেণির ২০টি ও চতুর্থ শ্রেণির ১৮টি পদ খালি পড়ে আছে বছরের পর বছর। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় কার্ডিয়াক বিভাগে ভর্তি হওয়া রোগীরা কোনো সেবাই পাচ্ছেন না।
সম্প্রতি বোরহানউদ্দিনের জয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম বুকের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসক না থাকায় স্বজনরা তাঁকে বরিশাল নিয়ে যান। বুকের ব্যথা নিয়ে কার্ডিয়াক বিভাগে ভর্তি হন নাসরিন আক্তার। ভর্তির সময় জরুরি বিভাগে ইসিজিসহ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দেওয়া হয়। বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে আনলেও চিকিৎসকের অভাবে ২৪ ঘণ্টায়ও রিপোর্ট দেখানো সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে নাসরিন আক্তারকে স্বজনরা ঢাকায় নিয়ে যান। রফিকুল ইসলাম ও নাসরিনের মতো এমন ভোগান্তি এ হাসপাতালে প্রতিদিনের চিত্র।হাসপাতালে রোগীর সঙ্গে আসা কয়েকজন স্বজন জানান, এ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকুই মেলে। জটিল সমস্যা নিয়ে আসা রোগীরা যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন না। বেশির ভাগ রোগীকেই বরিশালের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হয়। মেডিকেল টেকনোলজিস্টের অধিকাংশ পদ শূন্য থাকায় অনেক পরীক্ষাই বাইরে থেকে করাতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত টাকা খরচের পাশাপাশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা।
চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। যে কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে তাদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিউরোলজি, কার্ডিওলজিসহ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় সেবা ব্যাহত হচ্ছে। জেলা উন্নয়ন ও স্বার্থ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ রায় অপু জানান, চিকিৎসক সংকটের কারণে দ্বীপজেলার মানুষ সেবাবঞ্চিত হচ্ছে। কিছু চিকিৎসক পদায়নের পরই চলে যান। সেটি রোধ করতে পারলেই হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা উন্নত হবে, উপকৃত হবে সাধারণ মানুষ। কথা হলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক মনিরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন নানা ধরনের রোগী আসছে। তাদের সামলাতে বেগ পেতে হয়। জনবল স্বল্পতার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
সাব্বির আলম বাবু
বিশেষ প্রতিনিধি
০১৭১৬২৯৪৪১০

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 www.khoj24bd.com bangla News web portal.
Theme Customized By BreakingNews