
বগুড়ার শিবগঞ্জে বসত-বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধে ছোট ভাই মো. মিলনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। মায়ের মৌখিক অভিযোগে পুলিশ নির্যাতনকারী দুই ভাইকে আটক করে থানায় এনেছে।
সোমবার সকালে পৌরসভার তেঘরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শিবগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রউফ জানান, জমি নিয়ে চার ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ। মামলা দিয়ে ওদের গ্রেফতার করা হবে।
অভিযোগে জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ পৌরসভার তেঘরী এলাকার মফিজ উদ্দিনের মৃত্যুর পর বসতবাড়ির ২৭ শতক জায়গা নিয়ে তিন ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সোমবার সকালে ছোট ভাই মিলন বাঁশের বেড়া দিয়ে তার জায়গার সীমানা নির্ধারণ করতে যান। এ সময় তার সহোদর জাহিদুল ইসলাম ও মিনহাজুল ইসলাম তাকে বাধা দেন। তখন তাদের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা ও পরে হাতাহাতি হয়।
একপর্যায়ে তারা ছোট ভাই মিলনকে আমগাছের সাথে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করেন। মা জামিলা বেওয়া ছেলের আর্তনাদ সহ্য করতে না পেরে শিবগঞ্জ থানায় খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মিলনকে উদ্ধার ও তাকে নির্যাতনের অভিযোগে বড় দুই ভাই জাহিদুল ইসলাম ও মিনহাজুল ইসলামকে আটক করে থানায় আনে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বড় ভাই জাহিদুল ইসলাম বলেন, তাদের ছোট ভাই মিলন মাদকসেবী। সে যেকোনো সময় তাদের মারপিট ও খুন জখম করতে পারে। তাই তাকে আমগাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়। তাকে নির্যাতন করা হয়নি।
মা জামিলা বেওয়া বলেন, বাড়ির পাশে ফাঁকা জায়গায় মিলন বেড়া দিতে গেলে তার বড় দুই ছেলে তাকে বাধা দেয়। একপর্যায়ে তাকে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করে।
শিবগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রউফ জানান, মায়ের মৌখিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ছোট ছেলে মিলনকে উদ্ধার ও বড় দুই ছেলেকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো মামলা বা অভিযোগ হয়নি। তাদের মা জামিলা বেওয়ার সিদ্ধান্তের ওপর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply