
ফেনী সংবাদদাতা : অবৈধভাবে ফেনী নদী থেকে বালু তোলায় নদীগর্ভে চলে গেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৫টি আধুনিক সেচ পাম্প। যার আর্থিক ক্ষতি সাড়ে ৩ কোটি টাকা। এ ঘটনায় অবৈধভাবে বালু তোলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে থেমে নেই বালু উত্তোলনের মহোৎসব। মামলার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার।
ফেনীতে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে ৫৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৫০টি সেচ পাম্প স্থাপনের কাজ শুরু করে জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরমধ্যে জেলার ছাগলন্যাইয়ার শুভপুর থেকে নিজকুঞ্জরা পর্যন্ত নদীর পাড়ে বসানো ৫টি সেচ নদীগর্ভে চলে গেছে। ফেনী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে এসব পাম্প নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে ক্ষতির পরমিাণ প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা। তবুও থেমে নেই স্থানীয় প্রভাবশালীদের অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন।
সরকারি প্রকল্পের আর্থিক ক্ষতির ঘটনায় মামলা করেছে জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে বালু উত্তোলন বন্ধ ও জড়িতরা গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ জানান ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মাদ রাশেদ শাহরিয়ার।
ফেনী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা নয়ন মনি সূত্রধর জানান, ৫টি সেচ পাম্প নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় সেচ পাচ্ছে না ওই এলাকার কৃষকরা। এছাড়া অবাধে বালু তোলায় কৃষি জমিও নষ্ট হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, ফেনী নদী থেকে বালু তোলায় ছাগলন্যাইয়া উপজেলার চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠজনরা জড়িত থাকায় প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
Leave a Reply