
নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর পরও পোশাক কারখানা ভাংচুর ও আন্দোলন যারা করছে, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে বিজিএমইএ। রোববার রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন, আন্দোলনের তোপে পড়ে এ পর্যন্ত ১৩০টি কারখান বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারের নির্দেশে নতুন কাঠামোতে মজুরি বৃদ্ধির হার শ্রমিক নেতারা মেনে নেয়ার পরও কারা আন্দোলন করছে, সে প্রশ্ন রেখেছে বিজিএমইএ।
পোশাক কারখানার শ্রমিকদের জন্য নূন্যতম মজুরি বৃদ্ধির হার নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আলোচনা চলছিল নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। আলোচনা শেষ হওয়ার আগেই শ্রমিকরা শুরু করে আন্দোলন। কারখানায় আগুন লাগানোর পাশাপাশি ভাংচুর, সহিংসতা চালানো হয়। বন্ধ হয়ে যায় ১৩০টি কারখানা। কয়েকদফা সভা শেষে মজুরি বাড়ানোর ঘোষণা আসে। এতে সন্তেুাষ জানান শ্রমিক নেতারা। কিন্তু থেমে নেই মারমুখি আন্দোলন।
আজ রোববার (১২ই নভেম্বর) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে, গাজীপুরে এবিএম ফ্যাশন নামের পোশাক কারখানায় ঘটে যাওয়া সহিংসতার চিত্র তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক খান।
এ ঘটনায় শ্রমিকদের আগুনেই মৃত্যু হয় এক শ্রমিকের। এবিএম ফ্যাশনের মত সহিংসতার শিকার হওয়া বেশ কয়েকটি কারখানা পুরোপুরি অচল হয়ে গেছে। সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে কারখানা মালিকরা জানালেন, শ্রমিকের চেয়ে বহিরাগতই বেশি। বেতন বাড়ানোর পরও কে বা কারা এই অন্দোলন করছে? এর পেছনে কোন ষড়যন্ত্র রয়েছে, সেই প্রশ্ন বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসানের।
এদিকে, গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় গত বুধবার শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে আহত জালাল উদ্দিন নামের এক শ্রমিক শনিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আন্দোলনের ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
Leave a Reply